ভালো মন্দের দ্বান্দ্বিক দর্শনের খেলাঃঃ
নেগেটিভ কে বাংলায় মন্দ হিসেবে ব্যবহার করলাম আর পজেটিভ কে তেমনি ভালো হিসেবে ব্যবহার করলাম অধিকাংশ মানুষ প্রথমেই নেগেটিভ দর্শনটি কে গ্রহণ করে নেয় নেগেটিভ দর্শনটি কে ভালো এবং চমৎকার বলেছে বলা হয়। জগতের যা কিছু আমরা দেখি না কেন সবকিছুই আমরা নেগেটিভে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। পজেটিভ কোন কিছুই দেখতে ভালো লাগে না, মনটি হতাশায় উদাস হয়ে পড়ে। আমার এই কথাগুলো শুনতে অপ্রিয় মনে হবে, কিন্তু আসলেই ইহা একটি অপ্রিয় সত্য কথা। অতি সামান্য একটি উপমা হিসেবে অথবা দলিল আপনাদের সামনে পেশ করতে চাই। ভবের নাট্যশালায় মানুষ চেনা দায়, কথাটি নেগেটিভ দৃষ্টিভঙ্গিতে ভাল লাগবে সবার। মনটি গদগদ হয়ে সমর্থন দেবে এই গানের কথাগুলো কে। তাহলে কি বলতে পারি না, আমার জন্মটাই নেগেটিভ দর্শন দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। পরক্ষণে পজিটিভ দর্শনে তথা ভালো দৃষ্টিভঙ্গিতে ইতিবাচক চোখে যদি বলা যায় যে, সামান্য একটু বদলিয়ে নেগেটিভ পজেটিভ এর ভাষা এনে দেখলে আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন আর সেটা হল ভবের নাট্যশালায় নিজেকে চেনা দায়। নেগেটিভ চিন্তার বাহকের তখন বোবা জ্বালা শুরু হয়ে যাবে। ভবের নাট্যশালায় নিজেকে চেনা দায় এটা আবার গানের ভাষা হল! এটা কি মেনে নেওয়া যায়! যতসব আজে -বাজে কথা! প্রশ্ন করা হলে বলবে, নিজেকে আবার চিনবো কেমনে? আমি তো আমার মধ্যেই আছি। এখানে চিনবার কি বিষয় আছে? যদি বলেন মহানবী বলেছেন, 'যে নিজেকে চিনেছে, সে তার রবকে চিনতে পেরেছে ' একথা শুনে চুপ করে থাকবে বটে, তবে মন প্রান রাগে গজ গজ করতে থাকবে।
দার্শনিক নিটসে বলেছেন, অপ্রিয় সত্য কথাটি মেনে নিতে না চাইলেও মনের গভীরে ঠিকই মেনে নেয়। কারন নেগেটিভ আর পজেটিভ এর দ্বান্দ্বিক দর্শনে সৃষ্টির প্রকাশ ও বিকাশের ধারা টি অবিরাম ছুটে চলছে। তাই মহান রব্বুল আলামীন নিজেকে বলেছেন -যুলজালাল, বলেছেন- ইকরাম।
নেগেটিভ কে বাংলায় মন্দ হিসেবে ব্যবহার করলাম আর পজেটিভ কে তেমনি ভালো হিসেবে ব্যবহার করলাম অধিকাংশ মানুষ প্রথমেই নেগেটিভ দর্শনটি কে গ্রহণ করে নেয় নেগেটিভ দর্শনটি কে ভালো এবং চমৎকার বলেছে বলা হয়। জগতের যা কিছু আমরা দেখি না কেন সবকিছুই আমরা নেগেটিভে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। পজেটিভ কোন কিছুই দেখতে ভালো লাগে না, মনটি হতাশায় উদাস হয়ে পড়ে। আমার এই কথাগুলো শুনতে অপ্রিয় মনে হবে, কিন্তু আসলেই ইহা একটি অপ্রিয় সত্য কথা। অতি সামান্য একটি উপমা হিসেবে অথবা দলিল আপনাদের সামনে পেশ করতে চাই। ভবের নাট্যশালায় মানুষ চেনা দায়, কথাটি নেগেটিভ দৃষ্টিভঙ্গিতে ভাল লাগবে সবার। মনটি গদগদ হয়ে সমর্থন দেবে এই গানের কথাগুলো কে। তাহলে কি বলতে পারি না, আমার জন্মটাই নেগেটিভ দর্শন দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। পরক্ষণে পজিটিভ দর্শনে তথা ভালো দৃষ্টিভঙ্গিতে ইতিবাচক চোখে যদি বলা যায় যে, সামান্য একটু বদলিয়ে নেগেটিভ পজেটিভ এর ভাষা এনে দেখলে আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন আর সেটা হল ভবের নাট্যশালায় নিজেকে চেনা দায়। নেগেটিভ চিন্তার বাহকের তখন বোবা জ্বালা শুরু হয়ে যাবে। ভবের নাট্যশালায় নিজেকে চেনা দায় এটা আবার গানের ভাষা হল! এটা কি মেনে নেওয়া যায়! যতসব আজে -বাজে কথা! প্রশ্ন করা হলে বলবে, নিজেকে আবার চিনবো কেমনে? আমি তো আমার মধ্যেই আছি। এখানে চিনবার কি বিষয় আছে? যদি বলেন মহানবী বলেছেন, 'যে নিজেকে চিনেছে, সে তার রবকে চিনতে পেরেছে ' একথা শুনে চুপ করে থাকবে বটে, তবে মন প্রান রাগে গজ গজ করতে থাকবে।
দার্শনিক নিটসে বলেছেন, অপ্রিয় সত্য কথাটি মেনে নিতে না চাইলেও মনের গভীরে ঠিকই মেনে নেয়। কারন নেগেটিভ আর পজেটিভ এর দ্বান্দ্বিক দর্শনে সৃষ্টির প্রকাশ ও বিকাশের ধারা টি অবিরাম ছুটে চলছে। তাই মহান রব্বুল আলামীন নিজেকে বলেছেন -যুলজালাল, বলেছেন- ইকরাম।

Comments
Post a Comment
JOY GURU.
Thank you for your valuable comment.